News! Hojai Program 30/12/2019 to 08/01/2020

ওঙ্কার মন্ত্র মহা মিলনের মন্ত্র।
সর্ব ধর্মের সমন্বয়ের এই যুগে, সর্ব বর্ণের এই সমন্বয়ের এই যুগসন্ধিক্ষনে ওঙ্কার মন্ত্রই সহজ মুক্তিদাতা।

--শ্রী শ্রী স্বামী স্বরূপনান্দ পরমহংসদেব

শ্রী শ্রী স্বামী স্বরূপনান্দ পরমহংসদেব

লক্ষ লক্ষ লোকের সুপ্ত প্রাণকে জাগাবার জন্য যিনি ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি অখণ্ড মঙ্গলেশ্বর শ্রীশ্রীমৎ স্বামী স্বরূপনান্দ পরমহংস দেব। ভক্তগনের প্রাণের ঠাকুর শ্রীশ্রী বাবামনি। তিনি ছিলেন স্বাবলম্বনের মুর্ত্ত বিগ্রহ, অভিক্ষু সন্ন্যাসী, অযাচক আশ্রমের এবং দি মাল্টিভার্সিটি প্রতিষ্ঠাতা এবং দেবব্যাপী চরিত্র গঠন আন্দোলনের স্রষ্টা। অভিক্ষু সন্ন্যাসী অখণ্ড মঙ্গলেশ্বর শ্রীশ্রী বাবামনির কঠিন সাধনে এবং কঠোর সংগ্রামে সৃষ্টি হয়েছে সুবিশাল অখণ্ড সংঘ তথা অযাচক আশ্রম। সংযম, ব্রহ্মচর্য্য ও স্বাবলম্বনের উপর যথা অযাচক আশ্রম। সংযম, ব্রহ্মচর্য্য ও স্বাবলম্বনের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে মানুষ গড়ার কারখানা দি মাল্টিভার্সিটি। পৃথিবীর ইতিহাসে এটাই প্রথম মানুষ গড়ার কারখানা, সেখান থেকেই সৃষ্টি হবে শত সহস্র দেব মানবের।

শ্রী শ্রী মামণি

শ্রীশ্রী বাবামনির উত্তরাধিকারিণী শ্রীশ্রী মামণি সন্ন্যাসিনী সংহিতা দেবী। তিনি ছিলেন শ্রী শ্রী বাবামনির মানস কন্যা। জগতের কল্যাণ‌ই ছিল তার জীবনের ব্রত। মানুষ, পশু, পক্ষী, কীট-পতঙ্গ সবাই ছিল তাঁর সন্তান। শ্রীশ্রী মামনির জন্মের পরে শ্রীশ্রী বাবামনি তাঁর নাম রাখিলেন মঙ্গলময়ী। শ্রীশ্রী মামনির জন্মক্ষনে শ্রীশ্রী মামনির উদ্যেশ্যে প্রাণের ঠাকুর শ্রীশ্রী বাবামনির রচিত গানটি-
মঙ্গময়ী মাগো আমার
মঙ্গলময়ী মা।
যেদিকে নিরখী কেবলই যে দেখি
তোমারই মধুরিমা...

ব্রহ্মচারিণী শ্রী শ্রী সাধনা দেবী

ব্রহ্মচারিণী শ্রী শ্রী সাধনা দেবী ছিলেন শ্রী শ্রী বাবামনির মানস কন্যা, নিখিল ভারত অখণ্ড মন্ডলীর সভানেত্রী এবং আশ্রম মাতা। বেনারস অযাচক আশ্রম থেকে প্রচারিত সুবিখ্যাত মাসিক পত্রিকা 'প্রতিধ্বনির' তিনি সম্পাদনা করেন বিগত ৪১ বছর ধরে। স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিযোগের অসমসহসী যোদ্ধা ছিলেন তিনি। তিনি ছিলেন অসাধারারণ বাগ্মী, লেখিকা, সমাজ সংস্কারক ও ধর্ম প্রচারক।

শ্রী শ্রী স্নেহময় ব্রহ্মচারী

সর্বজন শ্রদ্ধেয় শ্রীযুক্ত স্নেহময় ব্রহ্মচারী শ্রীশ্রী বাবামনির একান্ত একনিষ্ঠ ত্যাগী সন্তান, অযাচক আশ্রমের ও সংঘের অন্যতম প্রধান সম্ভ স্বরূপ। নাম মহাত্ম্য রচয়িতা শ্রী যুক্ত স্নেহময় ব্রহ্মচারী। শ্রীশ্রীবাবামনির শিক্ষানুযায়ী পয়ার ছন্দে (১৪ অক্ষরে) শ্রী এরই বাবামনির বিভিন্ন সময়ের লেখা ও বাণী অবলম্বনে রচিত এই নাম মহাত্ম্য। তাঁহার নাম মহাত্ম্য জগতের প্রত্যেকের জন্য এক অমূল্য সম্পদ।

Depression of spirit comes from lack of meditation. Awaken yourself --through your constant youthful meditation.

--Shree Shree Swami Swarupananda Paramhansa Deva

আমি ব্রহ্মাণ্ডব‍্যাপী। কোটি ব্রহ্মান্ডে এমন একটুকু স্থান নেই, যেখানে আমি নেই। এইখানে বসে আছি আমি, দেখতে কতই না ছোট কিন্তু লক্ষ লক্ষ কোটি কোটি সৌরজগৎ, যার এক একটিতে একটা করে সূর্য আর অনেকগুলি করে গ্রহ নিজ নিজ কাজ করে যাচ্ছে, সব মিলে যে অনন্ত ব্রহ্মাণ্ড, তার সর্বত্র আমি আছি, আর তার সবকিছু আমারই মধ্যে আছে।
অখণ্ড সংহিতা ষোড়শ খণ্ড, পৃষ্টা ৩৪৬

নিজের ঘরে উপাসনা থাকিলেও যাহারা সেই উপাসনায় যোগ দেয়না ,এমন হতভাগ্যও কতক কতক স্থানে দেখা যায় ।এমতাবস্থায় পরের বাড়িতে উপাসনার নিমন্ত্রণ পাইলে যাইবেনা,এমন লোকের সংখ্যাধিক্য আশঙ্কা করা চলে । কেহই না আসিলে রাগ-রঙ্গ করিওনা ,কিন্তু আসিলে সুখানুভবকে বাক্যে ও ব্যবহারে প্রকাশ করিও ।পঙ্গপালের মত দলে দলে দীক্ষা নিতেছে অথচ সমবেত উপাসনায় যোগদান করেনা ,এমন ছেলে মেয়েরা আমার কলঙ্ক ।ইহাদের ভারে আমি নিজেকে বড়ই পীড়িত বোধ করি ।ইহাদিগকে ঘৃণা বা বিদ্বেষ করিও না ,অনুকম্পা কর ।ভগবানের চরণে ইহাদের জন্য সুমতি প্রার্থনা কর । একজনের গৃহের অনুষ্টানে শত শত গৃহের বাসিন্দারা যোগ দিবে ,ইহাই ত সুশোভন দৃশ্য ।নিজ সাধ্য-সীমার মধ্যে থাকা সত্বেও যাঁহারা এ কাজটি করেনা বা আর্থিক সামর্থ থাকা সত্বেও "প্রতিধ্বনি " রাখে না ,নিজেদের অবস্থা সচ্ছল হওয়া সত্বেও বিপন্ন ভাই বোনদের বিপদে আপদে ধারকাছ ঘেঁষেনা ,এমন লোক দিগকে মন্ডলীর পদাধিকারি করা কদাচ কর্তব্য নহে ।কেহ কেহ পদাধিকার করিয়া বসে কিন্তু সারা বত্সরে একটিবারও সাপ্তাহিক উপাসনাতে আসেনা ,ইহারা কুলাঙ্গার স্বরূপ জানিবে ।
-পরমারাধ্য অখণ্ড-মন্ডলেশ্বর শ্রীশ্রীমদ্ স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংস দেবের উপদেশ বাণী ধৃতং প্রেমা ৩৮তম খণ্ড, পত্র নং ৭০

*সম্মেলনের উদ্দেশ্য ও সার্থকতা* *"তোমাদের সকলের শিথিল, অলস ও বিক্ষিপ্ত শক্তিকে সুদৃঢ়, উদ্যমী, ও একাগ্র করিয়া যুগপৎ একই সুমহৎ সুনির্দ্দিষ্ট কর্ম্মে নিয়োজিত করিবার প্রয়োজনে সম্মেলনগুলি আহুত হইয়া থাকে।* আমার আদর্শ প্রতিধ্বনির মাধ্যমে, আমার রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যবর্তিতায় আমার জীবনের প্রতিকর্ম্মের দ্বারা প্রচারিত হইতেছে। এই দিকে দৃষ্টি দিলেই তোমরা আদর্শ প্রচার করিতে পার। *আদর্শ প্রচার তোমরা সারা বৎসর ব্যাপিয়া করিতে পার কিন্তু সম্মেলন প্রতিদিন হয় না।* সম্মেলনগুলির অনুষ্ঠান হওয়া উচিত সকল উদাসীনকে দ্রুত এবং অবিলম্বে কর্ম্মপরায়ণ করার উদ্দেশ্যে। সম্মেলন স্হির করিবেন, --- *"ইহা আমাদের কাজ। একাজ আমরা করিব, সকলকে দিয়া একাজ আমরা করিব, কালাত্যয় ঘটিতে দিব না। প্রত্যেকটী প্রাণী একটী মাত্র উদ্দেশ্যে সকল স্হান হইতে যুগপৎ একই কর্ম্মে মরণপণ করিয়া ঝাঁপ দিব।"* সম্মেলনের এই আসল উদ্দেশ্য তোমাদের স্মরণে থাকিলে লম্বা লম্বা বক্তৃতা দিবার প্রয়োজন তোমাদের কমিয়া যাইবে। একই ব্যক্তি সুদীর্ঘ প্রবন্ধ পড়িয়া বা অতি দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়া সম্মেলনের জন্য নির্দ্ধারিত সময়টুকু পার করিয়া দিলেও সম্মেলনের প্রকৃত সার্থকতা হয় না । *দূর হইতে যাঁহারা আসিয়াছেন, তাঁহারা 'অমুকের বক্তৃতা হইবে', এই কথা শুনিয়া আসেন নাই।* ঘরের কত কাজ ফেলিয়া রাখিয়া অর্থব্যয় করিয়া তাঁহারা ছুটিয়া আসিয়াছেন, *কি কি কাজ করিতে হইবে, তাহা জানিতে, কাজ করিবার সহজ পদ্ধতিগুলি আবিষ্কার করিতে এবং কাজ করিবার আগ্রহ ও উদ্দীপনা লাভ করিতে। এই কথাটী কদাচ তোমরা ভুলিয়া যাইও না।"*
(প্রতিধবনি-অগ্রহায়ণ,১৩৯৭, দূর্ব্বাদল, ৩৯শ বর্ষ ৮ম সংখ্যা)

Hojai Tour

Chandpur Sri Sri Babamonir Jonmoutsob

Alipurduar Tour

Bangladesh Tour